বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক হিসেবে বগুড়াবাসী এ্যাড. মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরুকে চায় | | ছবি: ডেইলি এশিয়া
বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক হিসেবে বগুড়াবাসী এ্যাড. মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরুকে চায়। আসছে সোমবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ঘোষনার পাশাপাশি প্রথম প্রশাসক নিযুক্ত করবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর পৈতৃক নিবাস বগুড়ায় দীর্ঘ ১৯ বছর পর আগমন উপলক্ষে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে স্থানীয় বিএনপি। এই সফরকে সফল ও সার্থক করতে জেলা বিএনপির উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচী । বগুড়া-৭ আসনের এমপি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের বগুড়া আগমন উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তৃণমূলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সফর সফল করতে হবে। তিনি জানান, তারেক রহমান আগামী সোমবার বগুড়ায় পৌঁছাবেন এবং সেখানে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দীর্ঘ দেড় যুগ পর প্রিয় নেতাকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ আসায় দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সেইসাথে নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের জোর দাবি বগুড়া শহরের রাজনীতিতে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও জনমানুষের নেতা হিসেবে পরিচিত এ্যাড. মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরুকে বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করা হউক। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব এবং কর্মীবান্ধব মনোভাবের কারণে তিনি এখন শহরজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। জানা যায় এ্যাড. মো. হামিদুল হক চৌধুরী হিরু ১৯৮৪ সালে সক্রিয়ভাবে বগুড়ায় ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন। ধারাবাহিকভাবে তিনি প্রতিটি ধাপে নিজের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৮৭ সালে বগুড়া শহর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি থেকে শুরু করে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএস নির্বাচিত হওয়াসহ প্রতিটি পর্যায়ে তিনি নেতৃত্বের দৃঢ়তা ও জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিয়েছেন। ১৯৯৫ সালে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০০ সালে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সংগঠনকে নতুন গতিতে এগিয়ে নেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২০০২ সালে তাকে জেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে কো-অপ্ট করেন। একই সময়ে শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে তিনি সংগঠনকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান। পরবর্তীতে জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক এবং একাধিকবার শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে। বিশেষ করে ২০১০ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতারই প্রতিফলন। রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে শহর বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সংগঠনের নেতৃত্ব আরও সুসংহত করেন তিনি। বর্তমানে বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে ও রেখেছেন সফলতার স্বাক্ষব। বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি ছিলেন নেতা-কর্মীর শেষ ঠিকানা ও সম্বল।